গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জামালপুর সদর পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের বাগেরহাট বটতলা সংলগ্ন বাড়িওলার ছেলের আঘাতে ভাড়াটিয়া এক গৃহবধূ মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখমী হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সুত্রে জানা যায়, বটতলা সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়িতে মোছাঃ রুবি বেগম নামে গৃহবধূ বসবাস করছেন। ঘটনার সময় রুবি ও তার স্বামী মোবাইল ফোন কথা বলছিলো। রুবির পাশেই বাড়িওয়ালা ছেলে আপন ও তার স্ত্রী সাথী কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঝগড়া শুরু করে।
স্ত্রীর পাশে চিল্লাচিল্লি আওয়াজ শুনে রুবির স্বামী জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে। উত্তরে রুবি তার স্বামীকে সাথী ও আপন ঝগড়া করছে বলে জানায়। তাদের ঝগড়ার কথা রুবি তার স্বামী কে কেন বলেছে, এজন্য আপন ক্ষিপ্ত হয়ে রুবিকে মারার জন্য তার রুমে ঢোকে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আঘাত এবং আঘাত মাথায় লেগে সাথে সাথে মাথা ফেটে যায়।
আপনের আঘাতে রুবি মাটিতে পরে গিয়ে তাঁকে বাঁচানোর জন্য ডাক চিৎকার করলে আশেপাশের মানুষ জন এসে রুবিকে রক্ষা করে।
তাৎক্ষণিক রুবিকে জামালপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তার আঘাতের পরিমাণ গভীর হওয়ার ফলে হাসপাতালে মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিকদের বলেন, ক্ষতের পরিমাণ গভীর। শক্ত বস্তুর দিয়ে আঘাত করার কারণে প্রায় ৭ ইঞ্চি লম্বা ও ১ ইঞ্চি গভীর হয়ে ফেটে গেছে। ক্ষতস্থানে ৬ টা সেলাই লেগেছে।
এদিকে, আপন বাড়িওয়ালার ছেলে হয়ে নিজের বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং অন্য আরেক জনের স্ত্রীর মাথায় এমন ভাবে আঘাত করতে পারে না বলে প্রতিবেশী মন্তব্য করেন। তাও হালকা বিষয় নয়, যেভাবে জখমী হয়েছে রুবি দেখা বুঝা যায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হবে।
উপস্থিত লোকজন আরো জানান, বিষয়টি নিয়ে রুবি থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।
বিষয়টি জানার জন্য আপনের সাথে কথা বলতে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।