July 29, 2026, 12:03 pm
শিরোনাম :
টঙ্গী চেরাগ আলীতে প্রস্তাবিত ময়লার ডাম্পিং স্থানান্তরের দাবিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রিন সোসাইটির মানববন্ধন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে যাওয়ার সুযোগে নারীকে ধর্ষণ গাজীপুরে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণচেষ্টা ও লুটপাটের অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জে বিভিন্ন জলাশয় থেকে চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ টঙ্গী বন্ধু সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টঙ্গীর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমাকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার নরসিংদীর শিবপুরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় কলা বাগান কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি সোনার মূর্তি বিক্রির নামে প্রতারণা, ভাই-বোন গ্রেফতার

আবারও অবৈধ জুয়ায় সয়লাব গাজীপুর সব জেনেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন 

Reporter Name

মোঃ রফিকুল ইসলামঃ

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মেলার নামে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। বিগত বহু বছর এসব অবৈধ মেলা বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবারও শুরু হয়েছে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাছা, শিমুলতলী, রাজেন্দ্রপুরে সহ বেশকিছু এলাকায় একযুগে চলছে মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় (নয়নপুর ঈদগাহ মাঠে)। গাজীপুর সদর থানার বিআইডিসি এলাকায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এক্সিকিউটিভ (সিও) অফিস সংলগ্ন এবং গাছা থানার গাছায় চলছে এসব মেলা‌।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই মেলা পরিচালনা করার জন্য রয়েছে একাধিক সংঘবদ্ধ দল। এদের মধ্যে একদল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্থানীয় প্রশাসন কে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্তি শুনিয়ে কখনো লিখিত আবার কখনো অলিখিত অনুমোদন পাইয়ে দেয়। অন্য আরেকটি দলের কাজ হচ্ছে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের সাথে দৈনিক নগদ অর্থ লেনদেনের বিষয়ে কাজ করেন যেন কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ না হয়। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মেলা পরিচালনা কমিটির তারা সুযোগ ও পরিস্থিতি বুঝে তাদের মূল লক্ষ্য জুয়ার আসর চালায়।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেলাতে নিন্ম মানের কিছু দোকান থাকে যা শুধু লোক দেখানোর জন্য। এসব দোকানীরাও সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হলো মেলায় ব্যবহৃত সাইনবোর্ড ও মেলার কার্যক্রমের মধ্যে কোনো মিল নেই।

শুধু লাকি কুপন বিক্রি করে প্রতিটি মেলা থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। সারা দিন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে যদি ১ লাখ টিকিট বিক্রি হয় তার মূল্য দাঁড়ায় ২০ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিক্রি হওয়া ১ লাখ টিকিট থেকে অর্ধেক চলে যাচ্ছে সুয়ারেজ লাইনের ময়লা আবর্জনা সাথে। বাকি অর্ধেক দিয়ে ড্র পরিচালনা করা হয় যেখানে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা সমপরিমাণ। আর এই সমস্ত দুর্নীতি প্রকাশ্যে করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। সব দেকেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন।

সব শেষে গাজীপুর বাসী প্রশ্ন, দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মেলা বা মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য কি সমাজের কল্যাণ সাধন করছে। গাজীপুরবাসী কি এইসমস্ত অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে আদৌও মুক্তি পাবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা