September 13, 2026, 12:50 pm
শিরোনাম :
প্রয়াত তিন সাংবাদিকের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ সুনামগঞ্জের ছাতকে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যাক্তিমালিকাধীন ও রেলওয়ে ভূমিতে অবৈধভাবে পশুর হাট স্থাপনের অভিযোগ মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইনে প্রশাসনসহ আল-আমিন একাডেমীর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নরসিংদীর শিবপুরে পুত্র কর্তৃক পিতাকে কুপিয়ে ও জখম করে হত্যাঃ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্ৰেফতার বুড়িচংয়ে হাতকড়া পরা আসামির নাটকীয় পলায়ন, ১ ঘণ্টা পর জলাশয়ের গর্ত থেকে ফের গ্রেফতার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত গাজীপুরের শ্রীপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সুনামগঞ্জের নতুনপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্গন ও কুইজ প্রতিযোগিতা,ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে মাছের খামার দখল ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, যুবদল নেতা রায়হানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আবারও অবৈধ জুয়ায় সয়লাব গাজীপুর সব জেনেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন 

Reporter Name

মোঃ রফিকুল ইসলামঃ

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মেলার নামে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। বিগত বহু বছর এসব অবৈধ মেলা বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবারও শুরু হয়েছে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাছা, শিমুলতলী, রাজেন্দ্রপুরে সহ বেশকিছু এলাকায় একযুগে চলছে মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় (নয়নপুর ঈদগাহ মাঠে)। গাজীপুর সদর থানার বিআইডিসি এলাকায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এক্সিকিউটিভ (সিও) অফিস সংলগ্ন এবং গাছা থানার গাছায় চলছে এসব মেলা‌।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই মেলা পরিচালনা করার জন্য রয়েছে একাধিক সংঘবদ্ধ দল। এদের মধ্যে একদল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্থানীয় প্রশাসন কে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্তি শুনিয়ে কখনো লিখিত আবার কখনো অলিখিত অনুমোদন পাইয়ে দেয়। অন্য আরেকটি দলের কাজ হচ্ছে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের সাথে দৈনিক নগদ অর্থ লেনদেনের বিষয়ে কাজ করেন যেন কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ না হয়। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মেলা পরিচালনা কমিটির তারা সুযোগ ও পরিস্থিতি বুঝে তাদের মূল লক্ষ্য জুয়ার আসর চালায়।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেলাতে নিন্ম মানের কিছু দোকান থাকে যা শুধু লোক দেখানোর জন্য। এসব দোকানীরাও সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হলো মেলায় ব্যবহৃত সাইনবোর্ড ও মেলার কার্যক্রমের মধ্যে কোনো মিল নেই।

শুধু লাকি কুপন বিক্রি করে প্রতিটি মেলা থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। সারা দিন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে যদি ১ লাখ টিকিট বিক্রি হয় তার মূল্য দাঁড়ায় ২০ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিক্রি হওয়া ১ লাখ টিকিট থেকে অর্ধেক চলে যাচ্ছে সুয়ারেজ লাইনের ময়লা আবর্জনা সাথে। বাকি অর্ধেক দিয়ে ড্র পরিচালনা করা হয় যেখানে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা সমপরিমাণ। আর এই সমস্ত দুর্নীতি প্রকাশ্যে করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। সব দেকেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন।

সব শেষে গাজীপুর বাসী প্রশ্ন, দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মেলা বা মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য কি সমাজের কল্যাণ সাধন করছে। গাজীপুরবাসী কি এইসমস্ত অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে আদৌও মুক্তি পাবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা