July 29, 2026, 1:57 pm
শিরোনাম :
টঙ্গী চেরাগ আলীতে প্রস্তাবিত ময়লার ডাম্পিং স্থানান্তরের দাবিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রিন সোসাইটির মানববন্ধন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে যাওয়ার সুযোগে নারীকে ধর্ষণ গাজীপুরে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণচেষ্টা ও লুটপাটের অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জে বিভিন্ন জলাশয় থেকে চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ টঙ্গী বন্ধু সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টঙ্গীর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমাকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার নরসিংদীর শিবপুরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় কলা বাগান কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি সোনার মূর্তি বিক্রির নামে প্রতারণা, ভাই-বোন গ্রেফতার

গরীব মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মানবাধিকার কমিশন কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে

Reporter Name

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি মোঃ মিনহাজুল ইসলাম মিলন মানবাধিকারের নামে সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে সূত্র ধরে অনুসন্ধান করতে গেলে একের পর এক থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। সভাপতি পরিচয়ে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে মানবাধিকার কমিশনের কুড়িগ্রাম অফিসকে। এমন কোনো কাজ নেই, যে তার ওই অফিসে টাকা ছাড়া কাজ হয়। বিবাহ বিচ্ছেদ, জমি+জমা সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা সহ যে কোন অভিযোগে সূত্র ধরে সাধারণ মানুষের কাছ কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের প্রতাভ চন্দ্রের কাছ থেকে তার দুই মেয়ে নাবালক (বাল্যবিবাহ) দিয়ে ২০,০০০/-টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেন মিনহাজুল ইসলাম মিলন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রতাভ চন্দ্র নিজে।
এছাড়াও সরেজমিনে তদন্ত জানা যায়, বালা কান্দী সাত ভিটা গ্ৰামের মোছাঃ সুমাইয়া বেগমের বিবাহ বিচ্ছেদের দেন মোহরের ২ লাগ ৫০ হাজার টাকার মিনহাজুল ইসলাম মিলনের কাছে।
ভুক্তভোগী মোছাঃ সুমাইয়া এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বেশ কয়েক মাস হয়ে গেছে। কিন্তু আমার দেনমোহরের টাকা না দিয়ে মিলন নানা তালবাহানা করছে ।
এ ব্যাপারে মানবাধিকার কমিশন কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক সহ সাংগঠনিক কে আমি বিষয় টি অবহিত করা হলেও কোন কার্যকর সুফল পাওয়া যায়নি। তারা আমাকে টাকা তুলে দিবেন বলে আশ্বাস দেন, কিন্তু কোন ফলাফল হয়নি।
এ ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিক দের ঘটনাটি সত্যি বলে জানান।
তারা বলেন, এই ব্যাপারে আমরা কথা বলতে চাইলে মিনহাজুল ইসলাম মিলন এসব মিথ্যা বলে আমাদের জানায়।
এমনকি ভোগ ডাঙ্গা ইউনিয়নের মোঃ মোক্তার হোসেনের কাছ থেকে সমাজ সেবা অফিস থেকে লাইসেন্স করে দেওয়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা নেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে মিনহাজুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইউনিয়ন কমিটির সদস্যদের অবগত না করে তাদের নামে একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে মিনহাজুল ইসলাম মিলন । এই নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুর্গাপুর ইউনিয়ন কমিটির সদস্যরা। তাদের দাবি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ভুক্তভোগীদের ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সত্য প্রমাণিত হলে দোষী মিনহাজুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
মিনহাজুল ইসলাম মিলনের কারণে মানবাধিকার কমিশনের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অনিয়ম দুর্নীতির সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া অত্যাবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা