October 28, 2026, 6:09 pm
শিরোনাম :
২৫ বছর বয়সে সেলুন কর্মচারী মেহরাব ২৬ বিয়ে করে এখন গ্লোবাল হয়েছে- পর্ব (২) শোক সংবাদ টঙ্গীতে শিশু নিপীড়ন মামলা: শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান পুলিশের শিশু বাচ্চা রেখে মা বাবা চলে যায় নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন জেলা প্রশাসক গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ফিটিং বাজদের হাতে সাংবাদিক হেনস্থা ক্যান্সার চিকিৎসায় অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছেন গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতাল কালিয়াকৈরে ৭৪ লাখ টাকা প্রতারণা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জুলেখা বিবি গ্রেফতার পুবাইলের বিলে ভাসতে দেখে গেল স্কুলড্রেস পড়া অজ্ঞাত তরুণীর লাশ বাংলাদেশ মানব কল্যাণ এসোসিয়েশনের সভাপতি ও কার্যকরী সভাপতিকে সংবর্ধনা জিএমপি মেট্টো ডিবি উত্তরের অঘোষিত ঠিকাদার কে এই সোর্স আশরাফুল ?

আবারও অবৈধ জুয়ায় সয়লাব গাজীপুর সব জেনেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন 

Reporter Name

মোঃ রফিকুল ইসলামঃ

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মেলার নামে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। বিগত বহু বছর এসব অবৈধ মেলা বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবারও শুরু হয়েছে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাছা, শিমুলতলী, রাজেন্দ্রপুরে সহ বেশকিছু এলাকায় একযুগে চলছে মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় (নয়নপুর ঈদগাহ মাঠে)। গাজীপুর সদর থানার বিআইডিসি এলাকায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এক্সিকিউটিভ (সিও) অফিস সংলগ্ন এবং গাছা থানার গাছায় চলছে এসব মেলা‌।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই মেলা পরিচালনা করার জন্য রয়েছে একাধিক সংঘবদ্ধ দল। এদের মধ্যে একদল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্থানীয় প্রশাসন কে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্তি শুনিয়ে কখনো লিখিত আবার কখনো অলিখিত অনুমোদন পাইয়ে দেয়। অন্য আরেকটি দলের কাজ হচ্ছে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের সাথে দৈনিক নগদ অর্থ লেনদেনের বিষয়ে কাজ করেন যেন কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ না হয়। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মেলা পরিচালনা কমিটির তারা সুযোগ ও পরিস্থিতি বুঝে তাদের মূল লক্ষ্য জুয়ার আসর চালায়।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেলাতে নিন্ম মানের কিছু দোকান থাকে যা শুধু লোক দেখানোর জন্য। এসব দোকানীরাও সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হলো মেলায় ব্যবহৃত সাইনবোর্ড ও মেলার কার্যক্রমের মধ্যে কোনো মিল নেই।

শুধু লাকি কুপন বিক্রি করে প্রতিটি মেলা থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। সারা দিন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে যদি ১ লাখ টিকিট বিক্রি হয় তার মূল্য দাঁড়ায় ২০ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিক্রি হওয়া ১ লাখ টিকিট থেকে অর্ধেক চলে যাচ্ছে সুয়ারেজ লাইনের ময়লা আবর্জনা সাথে। বাকি অর্ধেক দিয়ে ড্র পরিচালনা করা হয় যেখানে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা সমপরিমাণ। আর এই সমস্ত দুর্নীতি প্রকাশ্যে করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। সব দেকেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন।

সব শেষে গাজীপুর বাসী প্রশ্ন, দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মেলা বা মেলার নামে অবৈধ জুয়া বাণিজ্য কি সমাজের কল্যাণ সাধন করছে। গাজীপুরবাসী কি এইসমস্ত অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে আদৌও মুক্তি পাবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা