মোঃ রফিকুল ইসলামঃ
একটি সময় ছিল, মানুষ বলতেন “যার হয়েছে যক্ষ্মা, তার নেই রক্ষা” কালের আবর্তে চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছেন নিয়মিত ওষুধ সেবনে যক্ষ্মা ভালো হয়। আনন্দের সাথে আমরা এখন বলেতে পারি যক্ষ্মা এখন মানুষের কাছে কঠিন কোন ব্যাধি নয়। ঠিক তারই ধারাবাহিকতা চিকিৎসা বিজ্ঞান একের পর এক সাফল্য অর্জন করেছেন। এবারক্যান্সার কে চ্যালেঞ্জ করেছেন গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ার। রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর পাশে বিপরীত দিকে বাইতুল ভিউ টাওয়ারের ১০ ও ১১ তলায় অবস্থিত মরণ ব্যাধি নামক ক্যান্সার নিরাময় চিকিৎসালয় “গণস্বাস্থ্য হোমিও” হাসপাতাল।

২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং বাইতুল ভিউ টাওয়ারে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালে ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব এটা কথার কথা নয়। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ার ১০০ ভাগ চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ক্যান্সার নিরাময়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছেন যে ক্যান্সার এখন সঠিক চিকিৎসা নিয়ে ভালো হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ ক্যান্সার প্রতিরোধে গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের বিগত দিনের সাফল্য তুলে ধরে বিশেষ এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন, গণস্বাস্থ্য হোমিও হাপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিশেষজ্ঞ ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব মোঃ আলমগীর গনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ ডাঃ ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা ওসি ফজলে রাব্বী সোহেল, মাসুদুর রহমান মিলন সাংগঠনিক সচিব, মেহেদী হাসান সাংগঠনিক সচিব জেএসএস কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও মোঃ রফিকুল ইসলাম সহকারী মহাসচিব জেএসএস কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ সহ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তাগণ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপ মহাদেশের অন্যতম সেরা ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ার। তিনি ক্যান্সার কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে দীর্ঘ বহু বছর এর উপর বহুভাবে গবেষণা করে শেষ পর্যন্ত ১০০ ভাগ সফল হতে পারায় আমরা সত্যিই গর্বিত। লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে করে ভারত সিঙ্গাপুর সহ বিশ্বের বহু দেশ ঘুরে যে সুফল পায়নি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা। আজ বাংলাদেশের মাটিতে সেই সুবর্ণ সুযোগ এসেছে ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে। এখন আর আমার বাংলাদেশের মানুষকে কোটি টাকা ব্যয়ে করে বিফল হয়ে দেশে ফেরার প্রশ্নই আসে না। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে সঠিক এবং যথাযথ চিকিৎসা সেবার সর্বোচ্চ মাধ্যম হচ্ছে হোমিও চিকিৎসা। কেবল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমেই যে কোন রোগ শিকড় থেকে মুক্ত করা সম্ভব।
সব শেষে সভাপতি বিশিষ্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ শহিদুল্লাহ সরোয়ার বলেন, ৫০ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের কার্যক্রম চলছে। সফলতার উদাহরণ হিসেবে বলেন, ভারত থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে সেই রোগীও গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে। বর্তমানে অবস্থায় গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের চিকিৎসার সফলতা ৮০ % ছাড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি আশাবাদী আগামী ১/২ বছরের মধ্যে আমাদের সফলতা ১০০% হবে ইনশাআল্লাহ।