নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উত্তরের অঘোষিত ঠিকাদার ডিবি পুলিশের ফোর্স আশরাফুল ইসলাম ওরফে ফর্মা আশরাফুল। জনসূত্রি রয়েছে, সোর্স আশরাফুল, প্রকৃত অর্থে মেট্রো ডিবি উত্তরের সেলসম্যান। ডিবি পুলিশের অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকের বড় একটি অংশ এই ফর্মা আশরাফুলের মাধ্যমে ২৪ ও ২৫ নং ওয়ার্ডের মাদক বিক্রেতাদের নিকট পাইকারি বাজারজাত করা হয় বলে গোপন একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ধর্ষণের অভিযোগে কারাবাস সহ একাধিক মামলার আসামি ভয়ঙ্কর অপরাধী আশরাফুল নিজেকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দেওয়ার কৌশল হিসেবে ডিবি পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করলেও এখন তার প্রভাব পুরোপুরি ডিবি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে বলেও তার দাবী।
সম্প্রতি দুর্নীতি সংহার মাল্টিমিডিয়ার প্রতিবেদকের সাথে (পরিচয় গোপন রেখে) আলাপকালে সে গর্বের সাথে বলে আমি যে কোনো অফিসারকে বললে সাথে সাথে এ্যাকশন। আমার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কাজ হয়। আমি চাইলে যাকে খুশি গ্রেফতার করাতে পারি। কারণ বড় বড় অপারেশন গুলো আমার দিক নির্দেশনা অনুযায়ী হয়ে থাকে।
এই কথার প্রমাণ হিসেবে সম্প্রতি তার সাজানো একাধিক অভিযানের কথা আলোচনায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে সদ্য এক প্রবাসীকে ফাঁসিয়ে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে মেট্টো আইনে চালান দেওয়া হয়েছে বলে জানা জায়। অন্য আরেক পোশাক ব্যবসায়ীকে আনার পর টার্গেট পূরণ না হওয়ায় তাকে ৫৫ পিছ ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে মাদকের মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই সবই ছিল সোর্স আশরাফুলের সাজানো নাটকের দৃশ্য। যা ডিবি পুলিশের মাধ্যমে মঞ্চায়িত হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একজন সোর্স কীভাবে ডিবি পুলিশের মতো বিচক্ষণ অফিসারদের নিয়ন্ত্রণ করে এই প্রশ্নের উত্তর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ ও সমাজ সচেতন নাগরিকদের প্র
তি।