নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অধিকারভোগী করতে হবে। আর সে কাজকে শক্তিশালী করতে পারে সচেতন গণমাধ্যম।”
মানবাধিকার সুরক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকাঃ সভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, প্রান্তিক মানুষের সমস্যাগুলোকে দৃশ্যমান করতে গণমাধ্যমই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। সংবাদকর্মীদের ইতিবাচক ভূমিকা কেবল সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করবে না, বরং সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।
এছাড়াও আলোচনায় উঠে আসে সামাজিক বৈষম্য নিরসনে গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা, নিপীড়িত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল, ন্যায়ভিত্তিক গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা।
সার্বিক মূল্যায়নঃ সভাটি একদিকে যেমন মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছে, তেমনি গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।