October 28, 2026, 7:49 am
শিরোনাম :
২৫ বছর বয়সে সেলুন কর্মচারী মেহরাব ২৬ বিয়ে করে এখন গ্লোবাল হয়েছে- পর্ব (২) শোক সংবাদ টঙ্গীতে শিশু নিপীড়ন মামলা: শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান পুলিশের শিশু বাচ্চা রেখে মা বাবা চলে যায় নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন জেলা প্রশাসক গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ফিটিং বাজদের হাতে সাংবাদিক হেনস্থা ক্যান্সার চিকিৎসায় অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছেন গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতাল কালিয়াকৈরে ৭৪ লাখ টাকা প্রতারণা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জুলেখা বিবি গ্রেফতার পুবাইলের বিলে ভাসতে দেখে গেল স্কুলড্রেস পড়া অজ্ঞাত তরুণীর লাশ বাংলাদেশ মানব কল্যাণ এসোসিয়েশনের সভাপতি ও কার্যকরী সভাপতিকে সংবর্ধনা জিএমপি মেট্টো ডিবি উত্তরের অঘোষিত ঠিকাদার কে এই সোর্স আশরাফুল ?

কংগ্রেসের বৈঠকে ‘আমার সোনার বাংলা’, বিজেপি বলছে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ এজেন্ডা

Reporter Name

আন্তজাতিক ডেস্কঃ ভারতের আসামে করিমগঞ্জ জেলায় কংগ্রেসের এক বৈঠকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গাওয়া নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনিয়র কংগ্রেস নেতা বিধু ভূষণ দাস সোমবার শ্রীভূমি শহরে কংগ্রেস সেবা দলের এক বৈঠকে গানটি গেয়েছেন।
অনুষ্ঠানের এক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপির অভিযোগ, কংগ্রেস ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ ভোটব্যাংকের এজেন্ডা তৈরি করার চেষ্টা করছে।
এ নিয়ে আসামের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে বরাক উপত্যকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু অনলাইন ব্যবহারকারীও কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন।
ঘটনার পর আসামের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল এক্স–এ ভিডিওটি শেয়ার করে কংগ্রেসকে নিন্দা করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘তারা এমন একটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছে যে দেশ ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘এখন স্পষ্ট হয়েছে কেন কংগ্রেস বহু দশক ধরে আসামে অনুপ্রবেশকে অনুমোদন ও উৎসাহ দিয়েছে। তারা ভোটব্যাংক রাজনীতির স্বার্থে রাজ্যের জনসংখ্যার গঠন পরিবর্তন করে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ তৈরির স্বার্থে এটা করেছে।’
বিধু ভূষণ দাস শ্রীভূমি জেলার ভাঙ্গার বাসিন্দা এবং সেবা দলের জেলা ইউনিটের সাবেক সভাপতি। তিনি করিমগঞ্জ (শ্রীভূমি) জেলা সেবা দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে ইন্দিরা ভবনে (স্থানীয় কংগ্রেস অফিসে) বক্তৃতা শুরু করার আগে ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত গানটি গেয়েছিলেন। গানটি ব্রিটিশ আমলে বঙ্গভঙ্গের সময় রচিত হয়েছিল।
মঙ্গলবার, আসামের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, তিনি কংগ্রেসের এক নেতার দলীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার তথ্য পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস যে কোনো কিছুই করতে পারে। ওই দলের সবই আজব—তারা জানেও না কখন, কী গান গাইতে হয়।’
পাল আরও বলেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখব এবং পুলিশকে তদন্ত করতে ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলব।’
অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতারা এই বিতর্ককে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
করিমগঞ্জ (শ্রীভূমি) জেলা কংগ্রেস কমিটির গণমাধ্যম বিভাগের সভাপতি শাহাদত আহমেদ চৌধুরী (স্বপন) দাসকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, ওই প্রবীণ নেতা শুধু একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়েছিলেন—বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নয়।
তিনি বলেন, ‘আমার সোনার বাংলা’ মূলত নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সৃষ্টিকর্ম হিসেবেই পরিচিত। দাস তার বক্তৃতা শুরু করার সময় বলেছিলেন যে তিনি একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে শুরু করবেন। তিনি একজন শ্রদ্ধেয় নেতা, যিনি প্রতি স্বাধীনতা দিবসে ইন্দিরা ভবনে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সুতরাং, বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গানটি গাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা