July 29, 2026, 10:45 am
শিরোনাম :
টঙ্গী চেরাগ আলীতে প্রস্তাবিত ময়লার ডাম্পিং স্থানান্তরের দাবিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রিন সোসাইটির মানববন্ধন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে যাওয়ার সুযোগে নারীকে ধর্ষণ গাজীপুরে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণচেষ্টা ও লুটপাটের অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জে বিভিন্ন জলাশয় থেকে চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ টঙ্গী বন্ধু সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টঙ্গীর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমাকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার নরসিংদীর শিবপুরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় কলা বাগান কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি সোনার মূর্তি বিক্রির নামে প্রতারণা, ভাই-বোন গ্রেফতার

জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে পুলিশের পোশাক ও বিআরটিএর জাল সিলসহ ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার

Reporter Name

ডেস্ক রিপোর্টঃ
গাজীপুর মহানগরীতে সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে জালিয়াতি, ভুয়া দলিল তৈরি এবং চোরাই মাল কেনাবেচায় জড়িত মো. রুবেল খাঁ (২৮) নামের এক দুর্ধর্ষ প্রতারককে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল, ৫ টি ল্যাপটপ, পুলিশের ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং বিআরটিএর জাল সিলমোহর সহ বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার ১ জুলাই, ২০২৬ ইং জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মহানগর গোয়েন্দা-দক্ষিণ বিভাগ) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত মোঃ রুবেল খাঁ ঝিনাইদহ জেলা সদরের টিকারী (টিকারী বাজার ফোর সান্দি) এলাকার মো. আবু বকর খাঁর ছেলে। সে বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন দক্ষিণ খাইলকুর পেয়ারা বাগান রোডের আবুল কালাম আজাদের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে এই অপরাধ চক্র পরিচালনা করে আসছিল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৬ ইং মঙ্গলবার জিএমপির গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম এসআই (নিঃ) মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহানগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদ পায়। সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ দক্ষিণ খাইলকুর পেয়ারা বাগান রোডের ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রুবেল খাঁকে আটক করে। পরে তার কক্ষ তল্লাশি করে জালিয়াতি ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মালামাল ৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল (যার মধ্যে ১ টির আনুমানিক মূল্য ১,৯১,০০০ টাকা), ১টি মাস্টার কি (মোটরসাইকেল চুরির বিশেষ চাবি), ৫ টি ল্যাপটপ (আনুমানিক মূল্য ১,০০,০০০ টাকা) এবং ৩ টি প্রিন্টার। ১ টি পুলিশ ভেস্ট, ১ জোড়া পুলিশের বুটজুতা, ১ টি পুলিশের বেল্ট, ২ টি পুলিশের ফিল্ড ক্যাপ, ১ টি পুলিশের পিস্তল কভার, ১ টি পুলিশের শোল্ডার লাইট, ১ টি ওয়াকি টকি সেট, ১টি হ্যান্ডকাফ (কভার সহ), ১টি হেলমেট, এবং বাংলাদেশ পুলিশের ‘স্পেশাল ব্রাঞ্চের’ ছবি যুক্ত ২ টি ভুয়া আইডি কার্ড। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের ৫ টি জাল সিলমোহর (যার একটিতে ‘মো: মফিজুর রহমান, উচ্চমান সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর, বিআরটিএ ঝিনাইদহ সার্কেল’ লেখা), বিআরটিএর ১১ টি জাল ই- রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ৮ টি ভুয়া মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা পরিশোধের জাল সনদপত্র, ১টি জাল একনলেজমেন্ট স্লিপ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স। ডিএমপি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের ২৭ টি স্টিকার, এসআই/রুবেল খাঁ লেখা ১২ টি ভিজিটিং কার্ড, ‘রিয়ালিটিভি অনলাইন নিউজ মিডিয়া’র ১ টি আইডি কার্ড, ১ টি প্রেস মাইক্রোফোন, ৯ টি গ্রামীণ সিম এবং ২ টি মেমোরি কার্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছে যে সে মূলত কোনো সরকারি কর্মচারী নয়। সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পুলিশ ও বিআরটিএর সরঞ্জাম ও সিলমোহর ব্যবহার করে মানুষের সাথে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা করে আসছিল। আসামির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরবর্তীতে টাঙ্গাইল সদর ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা