September 14, 2026, 1:32 pm
শিরোনাম :
প্রয়াত তিন সাংবাদিকের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ সুনামগঞ্জের ছাতকে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যাক্তিমালিকাধীন ও রেলওয়ে ভূমিতে অবৈধভাবে পশুর হাট স্থাপনের অভিযোগ মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইনে প্রশাসনসহ আল-আমিন একাডেমীর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নরসিংদীর শিবপুরে পুত্র কর্তৃক পিতাকে কুপিয়ে ও জখম করে হত্যাঃ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্ৰেফতার বুড়িচংয়ে হাতকড়া পরা আসামির নাটকীয় পলায়ন, ১ ঘণ্টা পর জলাশয়ের গর্ত থেকে ফের গ্রেফতার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত গাজীপুরের শ্রীপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সুনামগঞ্জের নতুনপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্গন ও কুইজ প্রতিযোগিতা,ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে মাছের খামার দখল ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, যুবদল নেতা রায়হানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ভিক্ষাবৃত্তি থেকে কোটিপতি ! টঙ্গীর কেরানিটেক বস্তির মাদক সম্রাজ্ঞী কুলসুম

Reporter Name

শেখ কামরুল হাসান সাহাঃ
গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানিটেক বস্তিতে গড়ে উঠেছে এক বিশাল মাদকের সাম্রাজ্য। এই সাম্রাজ্যের মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন কুলসুম নামের এক নারী, যিনি এলাকায় এখন ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত। এক সময় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাহায্য বা ভিক্ষা করলেও, বর্তমানে মাদক ব্যবসার বদৌলতে তিনি ও তার পুরো পরিবার আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। বর্তমানে তাদের রয়েছে অঢেল সম্পত্তি, বিলাসবহুল বাড়ি ও গাড়ি।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করা কুলসুম মাদক ব্যবসার সুবাদে এখন কোটি টাকার মালিক। রেলওয়ের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে তিনি গড়ে তুলেছেন স্থায়ী মাদক স্পট। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন এই স্পট থেকে চালিত হচ্ছে ইয়াবা, গাজাসহ বিভিন্ন মাদকের রমরমা কারবার। শুধু কুলসুম নিজেই নন, তার পরিবারের প্রায় সবাই এখন এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। রাজরানীর মতো জীবনযাপন করছেন তিনি।
​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পুলিশের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে কেরানিটেক বস্তিতে অভিযান চালানো হলেও থামানো যাচ্ছে না কুলসুমের কারবার। বহুবার অভিযানে তিনি ও তার সহযোগীরা আটক হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে দ্রুতই পুরোনো ব্যবসায় ফিরে যান এবং আগের চেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।
​এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কুলসুমের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। রেলওয়ের জায়গা দখল করে মাদকের আড্ডা বসানো এবং প্রতিনিয়ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই মাদক সম্রাজ্ঞী কুলসুম এবং তার পুরো সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে কেরানিটেক বস্তিকে পুরোপুরি মাদকমুক্ত করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা