October 29, 2026, 11:09 pm
শিরোনাম :
গাজীপুরে ১৬ বোতল বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাহজাদ পুর উপজেলার ইউ এনও সাবরিনা শারমিন ভূমি খেকো, ভূমিদস্যুদের গড ফাদার ২৫ বছর বয়সে সেলুন কর্মচারী মেহরাব ২৬ বিয়ে করে এখন গ্লোবাল হয়েছে- পর্ব (২) শোক সংবাদ টঙ্গীতে শিশু নিপীড়ন মামলা: শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান পুলিশের শিশু বাচ্চা রেখে মা বাবা চলে যায় নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন জেলা প্রশাসক গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ফিটিং বাজদের হাতে সাংবাদিক হেনস্থা ক্যান্সার চিকিৎসায় অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছেন গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতাল কালিয়াকৈরে ৭৪ লাখ টাকা প্রতারণা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জুলেখা বিবি গ্রেফতার পুবাইলের বিলে ভাসতে দেখে গেল স্কুলড্রেস পড়া অজ্ঞাত তরুণীর লাশ

শাহজাদ পুর উপজেলার ইউ এনও সাবরিনা শারমিন ভূমি খেকো, ভূমিদস্যুদের গড ফাদার

Reporter Name

মোঃ ফারুক হোসেনঃ
ঘটনাটি সিরাজ গঞ্জ জেলা, শাহজাদ পুর থানা এরিয়ায়। ক্রয়কৃত সম্পত্তির মালিক মো: আব্দুল আজিজ,পিতা: মৃত আব্দুল গফুর, মাতা: মৃত আছিয়া খাতুন, গ্রাম: ইসলাম পুর (ডায়া), ডাকঘর: ইসলাম পুর (ডায়া), থানা: শাহজাদ পুর, জেলা: সিরাজ গঞ্জ।
আব্দুল আজিজের ছেলে মাহমুদুল আজিজ শোভন গত ১০ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় অফিসে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠে নামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চৌকস ক্রাইম অনুসন্ধানী একটি টিম। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়,তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি জেলা:সিরাজ গঞ্জ, থানা ও রেজিস্টার এর কার্যালয় শাহজাদ পুর পরগনে ইসফ শাহীর মোতালক মৌজা ৫৩ নং দ্বারিয়া পুর মধ্য মালিক বাংলাদেশ সরকার এর পক্ষে সহকারী কমিশনার ভূমি মোকাম পোস্ট- শাহজাদ পুর ,জেলা: সিরাজ গঞ্জ, উক্ত মালিক সেরেশতাই গত ইং ১৯৭৮ সনের আর, এস- রেকর্ড- আর এস-২৫৫২ নং খতিয়ানে বজেন্দ্র নারায়ন দেওয়ানের নামে বার্ষিক ১৬. ০০ টাকা জমাই ৪১৬ শতাংশ ভূমির মালিক উক্ত বজেন্দ্র নারায়ন দেওয়ান এর ওয়ারিশ রবীন্দ্র নারায়ন দেওয়ান (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) দাতা, গত ইং ২০ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে রেজিস্ট্রি কৃত ৫২২৩ নং একখানা অপ্রতাহার যোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তার নামা দলিল মূলে বিক্রয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন।বিজ্ঞ আদালত থেকে এই জমি হস্তান্তরের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই।
উল্লেখ্য, বিকৃত সম্পত্তি রবীন্দ্র নারায়ন দেওয়ানের ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত বটে। অসুস্থ থাকায় টাকার বিশেষ প্রয়োজন হওয়ায়, হক সত্য দখলীয় নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি টি তাহার নিকট বিক্রয় করিয়াছে। জমির দলিল ১০০ % সঠিক জেনেও অযৌক্তিক ভাবে মাপ স্থগিত করে রাখা হয়েছে।
জমি ক্রয় এর পর স্থানিও মস্তান দ্বারা চাঁদা দাবী করে ও জমি মাপতে বিভিন্ন ভাবে আটাকানোর চেষ্টা করায়।
পৌরসভায় জমি মাপার জন্য আবেদন করলে, পৌরসভা থেকে আবেদন মন্জুর করা হয়৷ মন্জুরকৃত আবেদন অনুযায়ী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে জমি মাপার দিন ধার্য করে সংশ্লিষ্ট জমিনের ওয়ারিস ও মালিক গনদের নোটিস করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে পৌর সার্ভেয়ার এবং জমি মাপার জন্য পৌরসভা হতে সরকারি কোন কর্মকর্তা আসেনি।
পরবর্তীতে খোজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত জমি মাপার দিন ধার্য ছিল কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখেই মামলার বাদী শান্তনু দেওয়ান গং পক্ষ ফোইজদারী কোর্টের দায়ের কৃত মামলার সুরাহা না করা পর্যন্ত জমির মাপ – যোগ স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করে যাহা আইনত জমির মাপ স্থগিত রাখার জন্য যথেষ্ট নয়।
একদিনে অযৌক্তিক ভাবে আবেদন কৃত পত্র গ্রহণ করা হয় এবং অন্যদিকে একই দিনে অর্থাৎ জমি মাপার জন্য পৌর কর্মকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত তারিখেই স্থগিত আবদেন গ্রহণ করা হয়েছে, যাহা আইন বহির্ভূত।
তাছাড়াও স্থগিত আবেদন শুধু মাত্র অফিসিয়ালি গ্রহন করা হয়েছে কিন্তু স্থগিত আবেদন মন্জুর হয়েছে এমন কোন ডকুমেন্ট পাওয়া যায় নাই। এবং জমি মাপ জোগের কথা সংশ্লিষ্ট জমির মালিকদের কে কোন নোটিস বা ফোন কল করে জানানো হয় নাই।
আরও জানা যায় অফিসিয়ালি ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে স্থগিত আবেদন গ্রহণ করা হলেও, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে অর্থাৎ আবদেন গ্রহণ করার আগের দিন পৌরসভার দায়িত্ব প্রাপ্ত পিওন মো: জামিল,জমি মাপার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্রয়কৃত জমির মালিক গণ কে কোন কিছু না জানিয়ে, এলাকার সাবেক কমিশনার জামাল এর কাছে জানিয়ে জমি মাপ-যোগের কাজ বন্ধ করা হয়েছে। যাহা পরের দিন জানা যায়।
এ সকল ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে, ক্রাইম অনুসন্ধানী টিমের সদস্যরা সশরীরে উপস্থিত হয়, সিরাজ গঞ্জ জেলার বর্তমান দায়িত্বরত জেলা প্রশাসক (ডিসি) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তিনি ২৭ তম বিসি এস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা এবং ১৮ নভেম্বর ২০২৫ ই্ং তারিখে সিরাজ গঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। ডিসিকে সকল আবেদন পত্র সহ ঘটনাটি জানানোর পরে তিনি ফোন করেন শাহজাদ পুর থানার, পৌরসভার নির্বাহী অফিসার (ইউ এনও) সাবরিনা সারমিনকে। তিনি ৩৫ তম বিসি এস( প্রশাসন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা এবং ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল এই উপজেলায় যোগদান করেন।
আবেদনের কাগজে জেলা প্রশাসক (ডিসি)লিখে দেয়, শাহজাদ পুর পৌর আবেদনের বিষয়টি বিধি মত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো এবং জেলা প্রশাসক উক্ত টিমের সদস্যদেরকে শাহজাদ পুর পৌরসভার ইউ এনও এর সাথে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেয়।
জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে বেরিয়ে ফোন করা হয় শাহজাদ পুর পৌরসভার ইউ এনও সাবরিনা সুলতানাকে। তিনি জানায়, অফিসেই আছি আপনারা আসেন।সিরাজ গঞ্জ সদর থেকে আনুমানিক এক ঘন্টার রাস্তা শাহজাদপুর পৌরসভা, কালক্ষেপণ না করে উক্ত টিমের সদস্যরা রওনা হয় শাহজাদপুর পৌরসভার উদ্দেশ্যে। এক পর্যায়ে শাহজাদপুরে পৌঁছালে ইউ এনও, টিমের একজন সদস্যকে ফোন করে জানতে চাই, আপনারা এখন কোথায় আছেন? উত্তরে বলা হয়, আপনার অফিসে আসতে আমাদের দুই মিনিট সময় লাগবে একটু অপেক্ষা করেন, হ্যাঁ ঠিক আছে, বলে তিনি ফোনটি রেখে দেন।
কিছুক্ষণ পরে উক্ত টিমের সদস্যরা ইউ এনও এর অফিসে উপস্থিত হয়ে দেখতে পাই, ইউ এনও কতিপয় লোকজন সাথে নিয়ে, অফিস থেকে তড়ি ঘড়ি করে বেরিয়ে যাচ্ছে।অফিসের সামনেই টিমের সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে জমি – জমা সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে, তিনি তাহার আরেক কর্মকর্তা এসিল্যান্ড কে টিমের সদস্যদের সাথে কথা বলার জন্য বলে। ইউ এনও জানায়, আমার বাচ্চা অসুস্থ, দ্রুত বাসায় যেতে হবে বলে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
এসিল্যান্ডের উল্টাো পাল্টা কথার পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে তাহার বাগবিতণ্ড। তাহার কাছ থেকে কোন সদুত্তর না পেয়ে টিমের সদস্যরাও ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।বিষয়টি, শাহজাদপুর থেকেই ইউ এনও কে ফোন করে অবগত করা হয়,তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন আমি দুঃখিত, দয়া করে আপনারা আমার বাসায় আসেন প্লিজ।
আমি বিষয়টি দেখতেছি এবং আমার লোকজন আপনাদের সাথে যদি অন্যায় কিছু বলে থাকে বা খারাপ ব্যবহার করে থাকে তাহলে আমি তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব। ইউ এনও এর চালাকি বুঝতে না পেরে টিমের সদস্যরা উপস্থিত হয় তাহার বাসায়, সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মামলার বাদি, ও স্থানীয় গুন্ডা, পান্ডা নিয়ে তাহার বাসায় বসে আছে এবং বলে ক্রয় কৃত সম্পত্তির জমির মালিক কে কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন আমি বিষয়টি দেখব, ইহা ছিল ইউ এনও এর সাজানো নাটক।
পূর্ব পরিকল্পিত ভাবেই তিনি বাদী পক্ষের সাথে আঁতাত করে অনুসন্ধানী টিমকে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছিল। ইউ এনও বার বার বলতে থাকে আপনারা সাংবাদিক, পত্রিকায় নিউজ করলে কি হবে? নিউজ করেন কিন্তু ইউ এনও এর ” বাড়া ভাতে ছাই “। চেয়েছিল এই টিম ঢাকা থেকে এসেছে, মারামারি লাগাইয়া মামলা দিয়ে থানার লকাপে ভরে দিব। ইউ এনও এর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে, উক্ত টিমের সদস্যরা কোন সমাধান না পেয়ে তাহার বাসা থেকে বেরিয়ে আসে।
সূত্রে বলছে , যেখানে জেলা প্রশাসক ঘটনাটি শোনার পরে পৌরসভার ইউ এনও কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে, সেখানে তিনি তাহার বসের অর্ডার পালন না করে, কথা না শুনে, আন অফিসিয়ালি ভাবে স্থানীয় গুন্ডা, পান্ডা নিয়ে তাহার বাসায় বসে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেছে। কারণ কি? তাহারি উত্তর খুঁজতে মরিয়া হইয়া উঠে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ক্রাইম অনুসন্ধানী টিম। কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে মিলেছে সাপের সন্ধান।
দুর্নীতিবাজ ইউ এনও শাবরিনা শারমিনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সিভিল ভায়োলেশন ও আদালত অবমাননা মামলায় বর্তমান আইনে অবস্থা নিম্নরূপ, আদালতের আদেশ খারিজ : গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে উচ্চ আদালত বা জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে শাহজাদপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের (চৌকি আদালত)পূর্বের আদেশটি খারিজ করে দেয়।
ইউ এনওর লিখিত আপত্তি গ্রহণ : চৌকি আদালতের বিচারক ইউ এনওর যে জবাবকে আপত্তিকর ও অবমাননা কর বলে নাকোচ করেছিলেন, উচ্চতর আদালত সেই আদেশ বাতিল করে ইউ এনও সাবরিনা শারমিনের দেওয়া লিখিত আপত্তি বা ব্যাখ্যা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিভাগীয় ব্যবস্থা বাতিল : চৌকি আদালত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ইউ এনওর বিরুদ্ধে এ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালতের আদেশের ফলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা আর কার্যকর নেই। অবমাননা ও বিচারক সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার মূল বিষয় সমূহ : কারণ : শাহাজাদ পুর চৌকি আদালতে নিরাপত্তার জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার বিষয় নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত হয়।
আদালতের নির্দেশ : গত ২৬ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে শাহজাদ পুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক মোঃ সানু আকন্দ আদালতের আদেশ অমান্য করা এবং আদালত বিচারক সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ইউ এনও সাবরিনা শারমিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
রিভিশন আবেদন : পরবর্তীতে এই আদালত অবমাননা মামলার বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদন করা হয়।এই মামলার নোটিশ পাওয়ার পর ইউ এনও আদেশ প্রদানকারী বিচারক ও আদালতের আদেশ সম্পর্কে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে আপত্তিকর আক্রোশ মূলক এবং অবজ্ঞাসূচক বক্তব্য প্রদান করে লিখিত আপত্তি দাখিল করে। এতে আদালতকে অপমান ও বিব্রত করার উদ্দেশ্যে বিচারককে মামলার বাদী পক্ষ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আদালতে নিষেধাজ্ঞার আদেশ কে উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং যোগসাজোসী আদেশ হিসেবে কটাক্ষ ও তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আদালত নজির বিহীন অবিচার করেছেন মর্মে আপত্তিকর বক্তব্য দেন। পরবর্তীতে আদালত ও বিচারক সম্পর্কে এমন বক্তব্য কেন প্রদান করেছেন তার ব্যাখ্যা চেয়ে সশরীরে হাজির হওয়া নির্দেশ দিলেও ইউ এনও আদালতে হাজির হয়নি।
আদালতের আদেশে বলা হয় ইউ এন ও সাবরিনা শারমিন প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে পেশাগত নৈতিকতা সদাচার এবং পেশাগত দায়িত্ববোধ বহির্ভূতভাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গ তথা আদালত, আদালতে অধিষ্ঠিত বিচারক এবং আদালতের আইনানুগ আদেশ সম্পর্কে আপত্তিকর, অশ্রদ্ধাশীল ও বিরূপ মনোভাব পোষণ করেছেন। এতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আইন আদালত এবং আদালতের বিচারকের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল আচরণকে নিরুৎ সাহিত করার দৃষ্টান্ত স্থাপনের উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব কে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

চলবে ———-


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা