অনুসন্ধানী প্রতিবেদনঃ
প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৮ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ভাতিজা শুভ ও তার সাথে আওয়ামী লীগের সোলাইমান সহ গ্লোবাল টিডি’র সাংবাদিক এক সময়ের সেলুন কর্মচারী মেহরাব। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গাজীপুর জেলার সভাপতি ও একটি পত্রিকার সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করার কারণে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গাজীপুরের বহু সাংবাদিক।
ঘটনার মূল উদ্দেশ্য ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে কোনাবাড়ি কলেজ গেইট এলাকায় এক নির্যাতিত নারী (যুবতী) মারধর করতে দেখা কথিত স্বামী সহ তাদের পাশে সিএনজি পাম্পে এনে বসিয়ে কোনাবাড়ি থানায় ফোন করে সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম।
এদিকে ফিটিং চক্র এসে ঐ নারী ও পুরুষ দু’জন কে স্থানীয় বিএনপি অফিসে নিয়ে মিমাংসার কথা বলে। এতে প্রতিবাদ করে সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় এখানে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। থানায় ফোন করেছি পুলিশ এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এতেই গাত্রদাহ শুরু ফিটিং চক্রের তখন তারা তাদের গড ফাদার গ্লোবাল টিডি’র সাংবাদিক সেলুন কর্মচারী ও এক সময়ের পেশাদার ছিনতাই এবং প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য মেহরাব হোসেন এসে ঘটনাস্থলের কিছু দৃশ্য ভিডিও করে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মনগড়া বক্তব্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে।
প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে যেভাবেঃ
যে ছেলে ও মেয়ে কে মহা সড়কে মারামারির ঘটনায় এনে সিএনজি পাম্পে বসানো হয় তাদের পরিচয় হচ্ছে সিরাজগঞ্জ থেকে পালিয়ে এসেছে প্রেমিক যুগল। গাজীপুরে কোনাবাড়ি এলাকায় বৈবাহিক সম্পর্ক ছাড়া এক আত্মীয়ের বাসায় রাত্রি যাপন করে। পরের দিন ঐ মেয়েকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিতে যাওয়ার পথে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা প্রচারিত সংবাদের কোথাও নেই।
ঘটনা স্থলে আসা পুলিশ অফিসারের বক্তব্য নেই, কোনাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ এর বক্তব্য নেই।
এইটি সংবাদ তৈরি করতে যে ৫ টি বিষয় থাকা আবশ্যক তার ৪ টি প্রচারিত সংবাদে নেই শুধু উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে একটি বিষয় পাওয়া গেছে তা হচ্ছে ঘটনাস্থল। বাকি যা কিছু প্রচারিত সংবাদে দেখানো হয়েছে সব কিছু ফিটিং চক্রের গাত্রদাহের বহিঃপ্রকাশ।
গাজীপুরের সচেতন গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য হচ্ছে এমন একটি লোক কিভাবে গ্লোবাল টিডি’র সাংবাদিক হতে পারে। এমন সংবাদ কর্মী পুরো গণমাধ্যমের কলঙ্ক ভয়ে এনেছে।