সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ জেলার কালিগঞ্জ থানার ঠেকরা কাজীপাড়া গ্রামের কাজী কবির বিরাট ব্যক্তিত্ব, যে কোন মানুষ তাকে দেখলে মনে করবে তিনি একজন ঈমানদার ব্যক্তি রয়েছে লম্বা দাড়ি নামাজ পড়ে কপালে অনেক বড় দাগ ফেলিয়েছেন আসলে তিনি নামাজি হলেও তিনি একজন ভূমিদস্যু বলে জানা গেছে, এলাকা বাসি কাজী মোহাম্মদ এর বক্তব্য কাজী আব্দুল্লাহ বেঁচে থাকাকালীন এ ঝামেলা গুলো করে থুয়ে গিয়েছেন, কাজী নুরুল ইসলাম নুরো, মোহাম্মদের আপন বড় ভাই, তিনি মৃত কাজী আব্দুল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন তিনি সকল ঝামেলার মূল হোতা বলে জানিয়েছেন, কাজী নুরো মৃত কাজী আব্দুল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আরও বলেন আমার ছোট ভাই মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভদ্দার কাছ থেকে মৃত কাজী আব্দুল্লাহ হজে্ যাওয়ার আগে ১৮ শতক জমি লিখে নিয়েছেন তাহলে আমাদের জমিটা 
কোথায়, এছাড়া রেকর্ড মূলে একজনের জমি আরেক জনের ভিতরে দিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করে গিয়েছেন বললেন কাজী নুরো,অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যায় মৃত কাজী আব্দুল্লার যত কাগজপত্র দলিল রয়েছে সকল কাগজপত্র জেল কাস্টোরিতে জব্দ রয়েছেন এই দুই নাম্বারি করার কারণে, অনুসন্ধানের মাধ্যমে আরো জানা যায় মৃত কাজী আব্দুল্লার মেয়ে জামাই ভূমিদস্যু কাজী কবির, এদিকে সুমনের আপন চাচাতো ভাই কাজী জাহাঙ্গীর আলম তিনি বলেছেন মৃত কাজী আবদুল্লাহ তিনি আমার দাদা মারা যাওয়ার পরে সকল কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তাই মৃত আব্দুল্লাহ মোটেও ভালো মানুষ ছিলেন না,অন্যদিকে ঠেকরা সদর মসজিদের মোয়াজ্জেম মুনছুর নামে এক ব্যক্তির কাছে রিটার্ড প্রাপ্ত সাবেক জনতা ব্যাংকের অফিসার কাজী কবির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন কাজী কবির মোটেও ভালো মানুষ নয়, তিনি আরো বলেছেন আমার পাশের বাড়ি আমি তাকে ভালভাবেই জানি, এদিকে কাজী শফিকুল ইসলাম সহ চার ভাই বাবার সম্পত্তি নিয়ে কবিরের সাথে কথা বলতে গেলে কবির বলেন তোমরা কোন জমি পাইবানা আমার আরও ১১ শতক জমি কম আছে, এদিকে জমি মেপে বোঝা যায় কাজী কবির ঐ প্লোডে ২২ শতক জমি ভুল বুঝিয়ে জবর দখল করে খাচ্ছেন, কাজী কবিরের বাসায় কাজী শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ ভাই ভিটে বাড়ির ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন তোমাদের ভিটের উপরে বাড়ি আমার, জায়গা আমার, পুকুর আমার, এর প্রেক্ষিতে এশিয়ান টেলিভিশনের অপরাধের খোঁজের রিপোর্টার কাজী শাকিল ভিটে বাড়ির কথা জানতে চাইলে কাজী কবির বলেন তোমাদের ভিটা বাড়িও আমার এ কথাও তিনি জানিয়েছেন, এক পর্যায়ে তিনি নিজের মুখে বলেন আমি একজন বেঈমান আমি মেনে নিলাম বলে তিনি নিজের মুখে জানিয়েছেন, এদিকে কাজী কবির বাদী হয়ে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জমির বিষয় নিয়ে বিচারের আয়োজন করেন,পরবর্তীতে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম এর নেতৃত্বে বিচারে বসেন, প্রথম বিচারের দিন।
শফিকুল ইসলামসহ চার ভাইকে বিচারে ডাকে বিচারে উপস্থিত হলেন
শফিকুল ইসলামসহ চার ভাই, দুঃখের বিষয় ওই বিচারে তাদেরকে কোন কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন না এক পর্যায়ে তাদেরকে বাহির করে দিলেন কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে, ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে এসে দাঁড়ালেন চার ভাই, হঠাৎ কাজী কবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী, সন্ত্রাসী কাজী হাফিজ, প্রফেসর হুমায়ুন কবির, কাজী রাসেল, রউফ মড়ল, চরিত্রহীন ঘরজামাই দাউদ, কাজী মোহাম্মদ, কাজী নুরো, প্রফেসর কাজী রওনাকুল ইসলাম, ভদ্র খালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষক বর্তমান বিএনপি ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি কাজী শহিদুজ্জামান শহিদুল, বিএনপি নেতা মোঃ কাজী সাইফুল ইসলাম, ও প্রফেসর রওনাকুল ইসলাম এসে কাজী আহাদুল ইসলাম কে জামার কলার ধরে টানাটানি করেন, এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, ওই জমির উপরে গেলে জমির মধ্যে পুতে ফেলবে বলে প্রকাশ্যে চার ভাইকে প্রাণনাশের হুমকি দদে থাকেন, বললেন কাজী কবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী, এদিকে চরিত্রহীন ঘর জামাই দাউদ ঠেকরা কাজীপাড়া গ্রামের কয়েকটি মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে থাকেন, মোছাম্মৎ গোলে বেগম কে খারাব প্রস্তাব দিয়েছিলেন ওনার স্বামী শেখ রবিউল ইসলাম এশিয়ান টেলিভিশনের অপরাধের খোঁজ রিপোর্টার কাজী শাকিল এর কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন ঘরজামাই দাউদ মানুষ হিসাবে অনেক খারাপ চরিত্রহীন এমন চরিত্রহীন লোক কিভাবে জামাতে কাজ করে, জামাত হলো আল্লাহ ওয়ালা দল, চরিত্রহীন দাউদকে বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি করেছেন শেখ রবিউল, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সকল বিচারকে অমান্য করে ভূমিদস্যু কাজী কবির চলে গেলেন সাতক্ষীরার এডিএম কোর্টে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা, তারপরে জমির মূল মালিকপক্ষ কাজী সুমন বাদী হয়ে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা এ ডিএম কোর্টে, দুই পক্ষের মামলা চলমান রয়েছে ঐ জমির উপরে রয়েছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কাজী হাফিজ, চরিত্রহীন দাউদ জামাত কর্মী, রউফ মড়ল জামাত কর্মী, শফিকুল গাজী, সামছুর গাজী, সিরাজুল ইসলাম এবং বিএনপি’র ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম সাবেক শিক্ষক ভদ্রখালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফজলু ঢালী, নামবিহীন ছিল আরো অনেক সন্ত্রাসী বাহিনী, কাজী শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ ভাইয়ের দাবি ছিল এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া, কিভাবে পুরুষ মানুষ মহিলাদেরকে বেপরোয়া মারধর করতে পারে, কাজী সাহিলাল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এজাহারের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান রয়েছে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন, এদিকে কালিগঞ্জ থানার সাবেক ওসি হাফিজুর রহমান থাকা কালিন ভুক্তভোগী পরিবার একাধিক অভিযোগ, জিডি, এবং এজাহার দেওয়ার পরেও কোন সেবা পান নাই বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কাজী শফিকুল ইসলাম, এদিকে সাবেক এস,আই রহমান তিনি চলে গেলেন তদন্তে চেয়ারে বসে কি বলেন এসআই রহমান, তিনি বললেন পুলিশ টাকা খাইলো কি না খাইলো পুলিশ কাজ করে কিনা সেটা দেখেন, এসআই রহমানের কথায় প্রমাণিত হয় অবশ্যই এস,আই রহমান টাকা খেয়েছেন। আর এই অবস্থা যদি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হয়ে থাকে তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে।