মোঃ হাসান আলী,স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা এলাকায় জমিরিয়া ইমদাদিয়া কওমি মাদরাসায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদের আড়ালের চেষ্টায় স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে। গত শুক্রবার (২২ মে) পূর্ব নির্ধারিত বাদ জুম্মা মাদরাসা প্রাঙ্গণে, মাদরাসার সাবেক কমিটির দূর্নীতি প্রতিবাদের মুখে জনসম্মুখে আয় ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন করার কথা থাকলেও রহস্যজনক ভাবে অনুপস্থিত থাকেন সাবেক সভাপতি আইয়ুব আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ শহীদ। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন সভায় বর্তমান কমিটির সভাপতি এমরান খান সাবেক কমিটির সভাপতি আইয়ুব আলীকে তার বন্ধু এবং সাবেক আরেক সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক সরকার কে তার ফুপাতো ভাই পরিচয় দিয়ে একক ভাবে দোষী সাব্যস্ত করেন সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ শহীদ কে। আলোচনা সভায় বর্তমান কমিটির সভাপতি এমরান খান ও ক্যাশিয়ার ডা.স্যাইদ সহ কয়েকজনের বক্তব্য শুনার পর সভাপতি দীর্ঘ দু’ঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট বক্তব্য দিয়ে বেলা পাঁচটায়
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা না শুনে এবং কোন সিদ্ধান্ত না নিয়ে সভা শেষ করেন। সভাপতির এমন মাইনাস ফর্মলায় স্থানীয় বাসিন্দারা উত্তেজিত হয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং সভাপতি এমরান খানের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সভাপতি এমরান খান মেজাজ হারিয়ে-ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ মাওলানা মোঃ আশিকী মোস্তফাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরিস্থিতি বেসামাল অবস্থায় সাংবাদিকদের প্রশ্ন দূর্ণীতির বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন কিনা জানতে চাইলে, তিনি বলেন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রাজ্জাক সরকার বিগত সময়ে সভাপতি ও উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন তিনি আমাকে বলেছেন কমিটির লোকেরা তাকে
হিসাব বুঝিয়ে দিয়েছে তিনি আমাদেরর কে হিসাব দিবেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে জান। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আহমদ উল্লাহ, সভাপতি এমরান খান, চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার, মাওলানা আবুল হাসেম, মাওলানা জালাল হোসেন, ডা.রাশেদ, ডা.স্যাইদ, মোঃ আজহার, মোঃ আজহারুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা আব্দুল রাজ্জাক, মহতামিম ইসমত আলী আশিকী সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক বৃন্দ।