September 16, 2026, 3:25 pm
শিরোনাম :
প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ শুভারম্ভ চাঞ্চল্যকর ডলি আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই গাজীপুর জেলা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সাথে মনিরুল ইসলাম মনিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রয়াত তিন সাংবাদিকের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ সুনামগঞ্জের ছাতকে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যাক্তিমালিকাধীন ও রেলওয়ে ভূমিতে অবৈধভাবে পশুর হাট স্থাপনের অভিযোগ মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইনে প্রশাসনসহ আল-আমিন একাডেমীর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নরসিংদীর শিবপুরে পুত্র কর্তৃক পিতাকে কুপিয়ে ও জখম করে হত্যাঃ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্ৰেফতার বুড়িচংয়ে হাতকড়া পরা আসামির নাটকীয় পলায়ন, ১ ঘণ্টা পর জলাশয়ের গর্ত থেকে ফের গ্রেফতার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত

চাঞ্চল্যকর ডলি আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই গাজীপুর জেলা

Reporter Name

ডেস্ক রিপোর্টঃ
প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক, তার পর বিরোধ থেকে হত্যাকাণ্ড—লাশ গুম। এতো কিছু করেও শেষ রক্ষা হয়নি। পিবিআই, গাজীপুর জেলার তদন্তে উদঘাটিত হয়েছে ডলি আক্তার হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য। নিহত ডলি আক্তারের সঙ্গে মোঃ মিশন ইসলামের প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং রাতে ডলি মিশনের ভাড়া বাসায় গেলে পূর্বের বিরোধ ও বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে মিশন তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। মিশনের ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, ডলিকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর রাত আনুমানিক ২ টার দিকে লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মুখ বালিশ চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে লাশ চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। হত্যার পর এবার শুরু হয় লাশ গুমের চেষ্টা। পরদিন মিশন বটি দা ও ব্লেড দিয়ে মৃতদেহটি কোমর থেকে দ্বিখণ্ডিত করে। একাংশ স্যুটকেসে এবং অপর অংশ বস্তায় ভরে বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনের সহযোগিতায় ভবানীপুর ব্রিজ এলাকার খালে ফেলে দেয়। কিন্তু অপরাধের আলামত ও তথ্যপ্রমাণ সম্পুন্ন মুছে ফেলতে পারেনি। পিবিআইয়ের প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, ঘটনাস্থল ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত ডলির পরিচয় ও হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা উদঘাটিত হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পিবিআই, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার বলেন, লাশটি অজ্ঞাত ও পচনশীল হওয়ায় মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা প্রথমে কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ঘটনাস্থল বিশ্লেষণে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে মৃত ডলির পরিচয় শনাক্তসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অপরাধী যত কৌশলেই অপরাধ সংঘটিত করুক না কেন, পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।” গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা