মোঃ রফিকুল ইসলামঃ
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং রোববার পূবাইল এলাকায় মহানগর ডিবির দক্ষিণ বিভাগের একটি বিশেষ দল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও উপদেষ্টা পূবাইল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী শ্রী অমূল্য চন্দ্র দাস গ্রেফতার করে। তাৎক্ষণিক ডিবির অফিসারদের যে সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়েছে তা রীতিমতো গা শিউরে উঠার মতো। অমূল্য চন্দ্র দাস কে গ্রেফতার না করার জন্য যে ফোন টি আসে, সেটা উপস্থিত ডিবি বিভাগের কর্মকর্তারা শুধু যে বিস্মিত করেছে তা নয়, সত্যিকার অর্থে তা ছিল রীতিমতো অবিশ্বাস্য।
আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের দুঃশাসনের সময় অমূল্য চন্দ্র দাস শত শত মানুষকে ঘর ছাড়া করেছে কেড়ে নিয়েছে বহু লোকের জায়গায় জমি সে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর কে বাঁচাতে ফোন কলটি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ত্যাগী নেতা, গাজীপুর জেলার সভাপতি ও গাজীপুর ৫ (কালীগঞ্জ) আসনের বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য একে এম ফজলুল হক মিলন এমপি।
ওই সময় তিনি অমূল্য চন্দ্র দাস বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং সর্বশেষ নির্বাচনে ধানের শীষের কর্মী হিসেবে নির্বাচন করেছেন বলে জানান। এমপি মিলন অমূল্যকে তার নিজের লোক হিসেবেও উল্লেখ করেন।’
প্রিয় পাঠক, আপনার নিকট সবিনয় নিবেদন করে ছোট্ট একটি প্রশ্ন করছি, আমাকে জবাব দিতে হবে না। কারণ, প্রশ্নটা আপনার বিবেকের কাছে। উত্তর টা নিজেকে দিন। আমি যদি এখন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়ী করি বা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মনগড়া মোটা অংকের অর্থ বা এ জাতীয় অভিযোগে অভিযুক্ত করি তাহলে সত্যিকার অর্থে সাধারণ মানুষ কি ভেবে নিবে একবার ভেবে দেখবেন প্লিজ।