বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজিয়া খাতুন সনিয়া (৩৭), মোঃ মেহেরাব ওরফে সেলুন মেহরাব, শিউলি বেগম, মোঃ স্বাধীন ও চৌধুরী, সাথী এবং মেরাজ সবাই মিলে কঠিন এক চক্র সৃষ্টি করে। এই চক্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সেলুন মেহরাব আজকের গ্লোবাল টিডি’র সাংবাদিক মেহরাব।
তাদের প্রতারণার ধরণ শুনলে যে কারো মাথা ঘুরে যাবে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বড় লোকের কালো, তালাক প্রাপ্ত, বিধবা মহিলাদের সন্ধান করে এই চক্রের কেউ বোন, কেউ ভাবী, বড় ভাই, পাত্রীর হিসেবে পরিবার সাজিয়ে নিজেদের খুব ভালো পরিবার হিসেবে উপস্থাপন করে যৌতুক বিহীন বিয়ে করবে কোন যৌতুক দিলেও তাদের পরিবারের ঐতিহ্যের চিন্তা করে নেওয়া সম্ভব না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিতেন। এই ছোট্ট কৌশলে প্রবেশ করে ধনী পরিবারে। এইখানে আরো একটি নিনজা টেকনিক ছিল যৌতুক বিহীন বিয়ে মানেই দেন মোহর টাকা তাদের খুশি রাখার মতো হবে। আসল খেলা শুরু হয় বিয়ের ১ দেড় মাস পর। কিছু টাকা জন্য পুরোনো ব্যাবসা টা শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না, অথবা ৫ লাখ টাকা জমা দেওয়ার আছে আর লাখ ৫/৬ দিলে সরকারি চাকরি টা জয়েন করতে পারি।
শশুর বাড়ির সবাই চিন্তা করে এতো ভালো পরিবার আমাদের মেয়ের সমস্যা জেনেও কোন আপত্তি করেনি। ঠিক আছে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দ্রুত টিকার ব্যবস্থা করে মুখোশধারী জামাইর হাত তুলে দেন টাকার বান্ডিল। দেওয়ার পর এতো দ্রুত ভুল ভাঙে। এবং সুকৌশলে তাদের লক্ষ্য পূরণ করে নতুন প্রতারণার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে অন্য এলাকায়।
ঠিক এইভাবে এক এক করে ২৭ বছরের গ্লোবাল সাংবাদিক মেহরাব ২৬ স্ত্রী স্বামী বনে যান।
পরবর্তী পর্বঃ আমাদের পরবর্তী পর্বে থাকবে
কাশিমপুর স্যাটেলম্যান্ট অফিসে সাংবাদিকদের উপর হামলার নেপথ্যে নায়ক মেহরাব।