July 29, 2026, 2:38 pm
শিরোনাম :
দিনাজপূর (৪২ বিজিবি) ঠাকূরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ সীমান্তে মদ আটক। টঙ্গী চেরাগ আলীতে প্রস্তাবিত ময়লার ডাম্পিং স্থানান্তরের দাবিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রিন সোসাইটির মানববন্ধন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে যাওয়ার সুযোগে নারীকে ধর্ষণ গাজীপুরে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণচেষ্টা ও লুটপাটের অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জে বিভিন্ন জলাশয় থেকে চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ টঙ্গী বন্ধু সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টঙ্গীর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমাকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার নরসিংদীর শিবপুরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় কলা বাগান কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি

গাজীপুরে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক, গণধোলাই

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে ১২ বছর বয়সী শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক শিক্ষক মো. মহসিন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার কাচুটিয়া গ্রামের আব্দুল হেকিমের ছেলে। তিনি মাওনা চৌরাস্তায় অবস্থিত দারুণ হিকমাহ্ হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।
পরিবারের অভিযোগ, শিশুটি মাদ্রাসার আবাসিকে থেকে নুরানী বিভাগে পড়াশোনা করছিল। শুক্রবার দুপুরে কোনো এক সময় মহসিন শিশুটিকে বলাৎকার করেন। বিকেলে শিশুটি বাড়ি ফেরার পর ঘটনাটি তার দাদা ও বাবাকে জানায়। পরে তারা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গণধোলাই দেন এবং মাওনা চৌরাস্তা পুলিশ বক্সে নিয়ে যান।
ইতোমধ্যে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা রাত ৯টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং মাদ্রাসা শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারিক বলেন, “অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। শিশুর পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা