রাজু আহম্মেদ তাইজুল বিশেষ প্রতিনিধিঃ ২২ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৫ টায় গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন ভোগড়া চৌধুরী বাড়ি সংলগ্ন এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় । ঘটনার পরই আহত হারিছুর রহমান শিপলুকে আশংকাজনক অবস্থায় গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক হারিছুর রহমান শিপলু বাসন থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ সহ আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, লিখিত অভিযোগে উল্লেখিত অভিযুক্তরা হলেন- মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(৫৫), পিতা-সৈয়দ আলী শেখ, মোঃ আরিয়ান হোসেন (২৫), ও মোঃ শাকিব ইসলাম, উভয় পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সাং-কলেজপাড়া, থানা-বাসন, গাজীপুর মহানগর ।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, শনিবার আনুমানিক বিকাল ৫ টার দিকে কয়েক জন লোক দিয়ে নিজের বৈধ গ্যাস লাইন সংস্কারের জন্য সাংবাদিক শিপলু তার নিজ বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশে রাস্তা সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় মাটি গর্ত করতে ছিল। এ সময় অভিযুক্তরা হঠাৎ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রথমে কাজের লোকদের উপর হামলা করে এলোপাথাড়ি মারপিট করতে শুরু করে।এরপর লেবারদের ব্যবহৃত মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় তারা। এসময় সিপলু বাঁধা প্রদান করিলে, অভিযুক্তরা সাংবাদিক তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। গালাগালি করতে নিষেধ করলে সাংবাদিক শিপলুকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি মারপিট শুরু করে। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত আসামী জাহাঙ্গীর আলমের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক শিপলুর মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর রক্তাক্ত ভাবে জখমী হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। করে। তার পরেও অভিযুক্ত ২নং আসামী আরিয়ান হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে ও ৩নং আসামী শাকিব পকেট থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়, এসময় শিপলু চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সিপলুকে কোন প্রকার সহযোগিতা না করার জন্য তাদেরকেও হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক হারিছুর রহমান শিপলু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গাজীপুর জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটিরও একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে বাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিন খান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।