বিশেষ প্রতিবেদনঃঃ নীল ইনোভেশন লিমিটেড: যেখানে স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। বাস্তবতা বাণী শুনিয়ে প্রতারক চক্রের সদস্য হয়ে যায় ইতিহাস।
যেখানে বহু চিট ফান্ড কোম্পানি থেমে গেছে, নীল ইনোভেশন লিমিটেড সেখান থেকেই শুরু করেছে প্রতারণার নয়া কৌশল।
এই নামটা সত্যিকার অর্থে কোন প্রতিষ্ঠান নয়—এটা একটা অভিনব কায়দায় প্রতারণা ফাঁদ। এটা একটা আত্মবিশ্বাসের নাম ধোঁকা দিয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রতারণার কৌশল পরিবর্তন হবে, জায়গায় ও প্রতিনিধি বদল হবে শুধু ঠিক থাকবে একটা নতুন ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার সেই পুরনো প্রতারক নীলফামারীর নীল ইনোভেশন এর হোতা বাটপার মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
নীল ইনোভেশন এর ভবিষ্যতঃ
এখানে স্বপ্ন শুধু কল্পনা, কার্যকর হবে না কোন পরিকল্পনা।
এখানে দলবল মানেই পরিবার নয়, পরিবার মানেই শক্তি ধোঁকা দেওয়ার পরিচয়।
এখানে প্রত্যেক সদস্য একজন যোদ্ধা যাকে দিয়ে নিজের জীবন ভালো করতে অন্যের জীবনের আলো রশ্মি ধ্বংস করানো হয়ে আসছে।
নীল ইনোভেশন লিমিটেড মানে— অভিনবত্ব ও প্রতারণায় নতুনত্ব। সাহসিকতায় আত্মবিশ্বাসী একজন কর্মীকে দিয়ে অনন্য, স্বপ্নে দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্সের মাধ্যমে মানুষ কে ঠকানো।
যেখানে প্রতিটি ব্যর্থতার পর পরিবর্তন হয়ে যায় কৌশল খোঁজে নেয় নিন্ম আয়ের হতাশাগ্রস্থ কিছু যুবক তৈরি করে বাটপারির একেকটি সিঁড়ি।
যেখানে “আমি পারব না” প্রতারনা জগতে এমন কিছু নেই। নীল ইনোভেশন এর মূল হোতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম ভাষ্য মতে প্রতারণার সকল প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ও সহযোগি সকল সাপোর্ট নিয়েই সে এই চ্যালেঞ্জিং শর্টকাট প্লাটফর্ম বেছে নিয়েছে। তার কথা হচ্ছে “আমি অবশ্যই পারব” এবং এই পারব শব্দটা তার এক ধরনের গর্জন!
এখানে যারা একবার তার পাশে এসে দাঁড়ায়িছে তারা আর পেছনে ফিরে পাচ্ছেন না তাকে।
যেখানে প্রতিটি নতুন সদস্য হয়ে ওঠে আগামী দিনের একজন লিডার।
সেখানে সিরাজুল ইসলামের লক্ষ্য শুধু ব্যবসা নয়—মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা সেটাকেও শেষ করে দেওয়া। তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির অবস্থান থেকে প্রশাসন ইচ্ছে করলে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে জাতি কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। এবং মোঃ সিরাজুল ইসলাম সহ এমন যতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে সব গুলো আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করলে জাতি আগামী দিনগুলো সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করতে পারবে।
তাই আমি মনে করি, নীল ইনোভেশনের মতো যতগুলো ভূঁইফোর প্রতিষ্ঠান রয়েছে সব গুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা ছাড়া এই প্রতারণা রোধ করা সম্ভব নয়।
অর্থনীতিবিদের মতে, একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে এমন প্রতিষ্ঠান চলতে দিলে সাধারণ মানুষ কখনো এর সুফল ভোগ করতে পারবে না এবং পরবর্তীতে তার দায় গিয়ে বর্তাবে সরকারের উপর।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নীল ইনোভেশন লিমিটেড এর মতো নামসর্বস্ব বহু কোম্পানি তৈরি হয়েছে এবং সারা দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে ভিন্ন রূপে যে যেভাবে পারছে হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ। তাই এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করাও জরুরি।
আপনি হচ্ছেন সেই হাত যে দেশের প্রচলিত আইন কে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন এবং এটাই একজন নাগরিকের সঠিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। আগামী প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করতে শুধু সরকার ও রাষ্ট্র নয়, আপনারও ভূমিকা রাখতে হবে।
নীল ইনোভেশন লিমিটেড সহ আপনার আশেপাশে যদি এমন কোন কোম্পানি বা প্রতিনিধি থাকে যাদের অফিস নেই, কোন প্রকার সাইনবোর্ড নেই, বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যোগাযোগের ঠিকানা নেই তাহলে অবশ্যই নিকষ্ট থানা পুলিশ কে অবহিত করুন।
একটি কথা মনে রাখবেন, একদিন আমরা
থাকবো না, কিন্তু প্রতারণার এই বিষবৃক্ষ বিশাল আকার ধারন করবে যার শিকার হবে পরবর্তী প্রজন্ম।