ডেস্ক রিপোর্টঃ
শুল্কমুক্ত কাপড় এনে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। তাহলে রপ্তানির কী হবে? কাগজপত্রে সব ঠিক রেখে খালি কনটেইনার ডিপোতে পাঠানো হয়েছে রপ্তানির উদ্দেশে। কিছুক্ষণ পরই জাহাজে উঠবে। গন্তব্য দেখানো হয়েছে দুবাই। কিন্তু একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সন্দেহ হলো। বেশি পরিমাণের কাপড় যায় ইউরোপ, আমেরিকায়। দুবাইয়ে এতো কাপড় কে নিবে? সন্দেহ হওয়ায় আর বসে না থেকে সেই গোয়েন্দা কর্মকর্তা রাতেই টিম নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। একে একে ৫ টি চালানের সব কনটেইনার খুললেন। কিন্তু একটিতেও কাপড় নেই। সব খালি কনটেইনার পাঠানো হচ্ছিল বিদেশে। সবার সহযোগিতায় কাগজপত্রও রেডি। যাহোক, চালান ধরা পড়ে গেলো। এখন হোতাদের খুঁজে বের করতে চলছে তদন্ত।
কারখানার নাম ভালমন্ট ফ্যাশন লিমিটেড। বিজিএমইএ এর তথ্য বলছে, গাজীপুরের ভোগরায় কারখানাটি অবস্থিত। আজীজুল হাসান বাজমী কোম্পানির পরিচালক। এই ব্যক্তির নামে আরো একাধিক কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া আছে। কিন্তু বাজমী দাবি করলেন, তিনি সামান্য কর্মচারী। তাহলে তার নামে অন্তত তিনটি কোম্পানি কেন? বাজমী অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেন না। এড়িয়ে গেলেন। অস্বীকার করলেন। কিন্তু তার লিংকড ইন প্রফাইলেও ভালমন্ট ফ্যাশনের কথা লেখা। এরকম প্রতারকদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।