November 1, 2026, 1:01 pm
শিরোনাম :
“বিভাজনে দুর্বলতা, ঐক্যে শক্তি” দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, আন্দোলন কারও অপরাধের লাইসেন্স না টঙ্গীতে পুলিশের অভিযান: ইয়াবা তৈরির সরঞ্জামসহ কারখানার মালিক আটক সাধু সাবধান… ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, রাজনৈতিক আনুগত্য পরিবর্তনশীল গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত-১ আহত-৩ ‎গাজীপুরে সেফটি ট্যাংক বিস্ফোরণে প্রাণ গেল পোশাক শ্রমিকের আহত ২ গ্লোবাল টিভির সাংবাদিক ফিটিং চক্রের গড ফাদার সেলুন কর্মচারী মেহরাব প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রচার করে গাজীপুরে ১৬ বোতল বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাহজাদ পুর উপজেলার ইউ এনও সাবরিনা শারমিন ভূমি খেকো, ভূমিদস্যুদের গড ফাদার ২৫ বছর বয়সে সেলুন কর্মচারী মেহরাব ২৬ বিয়ে করে এখন গ্লোবাল হয়েছে- পর্ব (২)

টাঙ্গাইল বাঁশতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের সীমাহীন দুর্নীতি সহযোগীতায় বিট কর্মকর্তারা

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সখীপুর বাঁশতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাহীনুর রহমান ও তার দক্ষিণ হস্ত একাধিক বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বনের গাছ কেটে বিক্রি ও বন বিভাগের জমি অবৈধ ইজারা দেওয়া সহ নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
বন বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী বাঁশতৈল রেঞ্জ এর আওতায় প্রায় ১৪ হাজার ৩ শত ৫০ একর জমি রয়েছে। এর সিংহ ভাগ জমি রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান ও তার সহযোগী বিট কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে বেহাত হয়ে গেছে।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর ও বিট কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় নলুয়া, পাথরঘাটা, হাটুভাঙ্গা, বংশী নগর, ও হতেয়া এলাকায় অবৈধ দখলদারেরা বহুতল ভবন, সেমি পাকা বিল্ডিং সহ অসংখ্য স্থাপনা তৈরি করে বসবাস করছে।
বিট কর্মকর্তা মোঃ শামীমের সহযোগিতায় বন বিভাগের জমি দখল করে গড়ে উঠেছে প্লাস্টিক কারখানা।
আজ ১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং সরেজমিন তদন্তে গেলে রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানকে অফিসে পাওয়া যায়নি। তবে লুঙ্গি পরিহিত একজন লোক অফিসে পাওয়া গেছে। কর্মকর্তার চেয়ারে বসা থাকলেও তিনি নাম পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের সাথে কথা বলতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে বলে জানায়। তবে তিনি কখন আসবে এবিষয়ে সুনিশ্চিত কিছু বলতে রাজি হননি। অনেক কথার পর শাহীনুর রহমানের মোবাইল নাম্বার দেন।
রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে ০১৭১৪৮৬৭৮৪৬ যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কথা শোনার আগেই বলেন, ৫১ জন সাংবাদিকের লিষ্ট আছে বেতন পাই নাই, পরে আসবেন। শাহীনুর রহমানের কথা শেষ হলে এ প্রতিবেদক যখন বলেন, যে আমরা ঢাকা থেকে এসেছি আপনার একটি বক্তব্য দরকার। প্রতিবেদককে কথা শুনে তিনি মোবাইল ফোন কল কেটে দেন।
এছাড়াও সামাজিক বনায়নের টাকা আত্মসাৎ এবং অবৈধভাবে গাছ ও জমি দখল: বাঁশতৈল এবং হতেয়া রেঞ্জের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে শাল-গজারি গাছ কেটে পাচার এবং বনের জমি টাকার বিনিময়ে দখল করে বাড়ি, পোল্ট্রি ফার্ম ও দোকানঘর নির্মাণ করতে দেওয়ার অভিযোগ হলেও অদৃশ্য কারণে উধ্বর্তন কতৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে সূত্র জানায়।
রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর একার সাধারণ মানুষ কে ভয়ভীতি প্রদর্শন: টাকা না দিলে মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং টাকা নিয়েও বাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আরও টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
উল্লেখ্য, মির্জাপুর উপজেলায় বাঁশতৈল ছাড়াও বন বিভাগের অধীনে বহেড়াতলী, হতেয়া, ও ধলাপাড়া রেঞ্জ রয়েছে।
টাঙ্গাইল বন বিভাগের মোট ৯টি রেঞ্জের মধ্যে বাঁশতৈল একটি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেনকে অফিসের ০২৯৯৭৭৫১৯৯০ ও ০১৯৯৯০০১০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু তিন কল রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “টাঙ্গাইল বাঁশতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের সীমাহীন দুর্নীতি সহযোগীতায় বিট কর্মকর্তারা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা