July 30, 2026, 10:35 pm
শিরোনাম :
আশুগঞ্জে থানায় টোল প্লাজায় ৬ কেজি গাঁজাসহ ০১ নারী মাদক ব্যবসায়ী নাটক। উদ্দশ্য প্রণোদিত সংবাদ এর প্রতিবাদে গোয়াইনঘাট বিএনপির সংবাদ সম্মেলন টংগীর ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার কোম্পানি মামলায় জামিনপ্রাপ্তদের ফুলেল সংবর্ধনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ধুনট সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি আনোয়ার হোসেন সম্পাদক রবিউল হাসান বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার সাংগঠনিক উন্নয়ন সভা সাংবিধানিক প্রশিক্ষণ ও গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব অনুষ্ঠিত দিনাজপূর (৪২ বিজিবি) ঠাকূরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ সীমান্তে মদ আটক। টঙ্গী চেরাগ আলীতে প্রস্তাবিত ময়লার ডাম্পিং স্থানান্তরের দাবিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রিন সোসাইটির মানববন্ধন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে যাওয়ার সুযোগে নারীকে ধর্ষণ

স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় ২২ দিন কারাগারে স্বামী

Reporter Name

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে ধর্ষণের শিকার দাবি করেন স্ত্রী ইসমোতা রাইতি। কিন্তু জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আবারও একই বাসায় একসঙ্গে বসবাস করছেন স্বামী-স্ত্রী—এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
১৫ জানুয়ারি রাজধানীর হাতিরঝিলের পলাশবাগ এলাকায় স্বামী আনোয়ার হোসেনের বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ইসমোতা রাইতিকে।
একই সময় গ্রেফতার করা হয় আনোয়ার হোসেনকে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়।
অভিযোগকারী ইসমোতা রাইতি জানান, তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করতে চান। অন্যদিকে আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলা প্রত্যাহার নয়, বরং আইনি লড়াই চালিয়ে নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে চান। তার দাবি, মামলা প্রত্যাহার করলে তার ওপর আজীবনের সামাজিক কলঙ্ক থেকে যাবে।
অনুসন্ধানে উঠে আসে, ঘটনাটির পেছনে পারিবারিক কলহ, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা।
অভিযোগ রয়েছে, পুরো ঘটনাটি সাজানো একটি নাটকীয় অভিযানের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং ইসমোতা রাইতির পরিবারের সদস্যরা। এমনকি উদ্ধার অভিযানের ভিডিও ধারণ করা হয়, যার পেছনে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইসমোতা রাইতি দাবি করেন, তিনি অনেক বিষয় না বুঝেই কিছু কাগজে স্বাক্ষর করেছেন এবং পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ছিল অন্যদের হাতে। তিনি আরও জানান, ঢাকা মেডিকেলে তিন দিন ভর্তি থেকে ডাক্তারি পরীক্ষাও করানো হয়।
এদিকে আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে এবং তার স্থায়ী ঠিকানা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তার দাবি, যথাযথ যাচাই ছাড়াই মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে যাত্রাবাড়ী ও হাতিরঝিল থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের নাম উঠে আসলেও সংশ্লিষ্ট থানাগুলো আনুষ্ঠানিক ভাবে বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, যদি তদন্তে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভূমিকা প্রমাণিত হয়, তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। ফলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা