September 19, 2026, 11:25 pm
শিরোনাম :
নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ শুভারম্ভ চাঞ্চল্যকর ডলি আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই গাজীপুর জেলা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সাথে মনিরুল ইসলাম মনিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রয়াত তিন সাংবাদিকের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ সুনামগঞ্জের ছাতকে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যাক্তিমালিকাধীন ও রেলওয়ে ভূমিতে অবৈধভাবে পশুর হাট স্থাপনের অভিযোগ মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইনে প্রশাসনসহ আল-আমিন একাডেমীর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নরসিংদীর শিবপুরে পুত্র কর্তৃক পিতাকে কুপিয়ে ও জখম করে হত্যাঃ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্ৰেফতার

স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় ২২ দিন কারাগারে স্বামী

Reporter Name

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে ধর্ষণের শিকার দাবি করেন স্ত্রী ইসমোতা রাইতি। কিন্তু জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আবারও একই বাসায় একসঙ্গে বসবাস করছেন স্বামী-স্ত্রী—এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
১৫ জানুয়ারি রাজধানীর হাতিরঝিলের পলাশবাগ এলাকায় স্বামী আনোয়ার হোসেনের বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ইসমোতা রাইতিকে।
একই সময় গ্রেফতার করা হয় আনোয়ার হোসেনকে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়।
অভিযোগকারী ইসমোতা রাইতি জানান, তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করতে চান। অন্যদিকে আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলা প্রত্যাহার নয়, বরং আইনি লড়াই চালিয়ে নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে চান। তার দাবি, মামলা প্রত্যাহার করলে তার ওপর আজীবনের সামাজিক কলঙ্ক থেকে যাবে।
অনুসন্ধানে উঠে আসে, ঘটনাটির পেছনে পারিবারিক কলহ, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা।
অভিযোগ রয়েছে, পুরো ঘটনাটি সাজানো একটি নাটকীয় অভিযানের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং ইসমোতা রাইতির পরিবারের সদস্যরা। এমনকি উদ্ধার অভিযানের ভিডিও ধারণ করা হয়, যার পেছনে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইসমোতা রাইতি দাবি করেন, তিনি অনেক বিষয় না বুঝেই কিছু কাগজে স্বাক্ষর করেছেন এবং পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ছিল অন্যদের হাতে। তিনি আরও জানান, ঢাকা মেডিকেলে তিন দিন ভর্তি থেকে ডাক্তারি পরীক্ষাও করানো হয়।
এদিকে আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে এবং তার স্থায়ী ঠিকানা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তার দাবি, যথাযথ যাচাই ছাড়াই মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে যাত্রাবাড়ী ও হাতিরঝিল থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের নাম উঠে আসলেও সংশ্লিষ্ট থানাগুলো আনুষ্ঠানিক ভাবে বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, যদি তদন্তে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভূমিকা প্রমাণিত হয়, তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। ফলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা